শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সম্পাদকীয়: ঈদুল ফিতরে ভ্রাতৃত্বের দরজা খুলে যাক দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, কাল ঈদ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে পালাচ্ছে মার্কিন রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড শীর্ষ নেতা লারিজানি হত্যার শোধ হবে ‘ভয়াবহ’, হুঁশিয়ারি ইরানের আযাদ দ্বীনী এদাার বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ: পাসের হার ৮৭.৯৫ ঈদুল ফিতরের আগেই শহীদ মাওলানা মুশতাক গাজিনগরীর হত্যার বিচার দাবি প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দিরাইয়ে ক্বেরাত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন দিরাই-শাল্লার অভিভাবকত্বে প্রধানমন্ত্রী: প্রতিশ্রুতির প্রথম ধাপে দিরাইয়ের ৬৯৭ পরিবারে আগামিকাল বিতরণ হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ট্রাম্পকে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি কাতারের আমিরের

ফাইভ-জি যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি সম্পন্ন

আমার সুরমা ডটকম:

চলতি বছরের মধ্যে ফাইভ-জি যুগে প্রবেশের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবার এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের কৃষি ও শিল্প ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে হুয়াওয়ে আয়োজিত ক্যারিয়ার কংগ্রেস ২০২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ফাইভ-জি শুধু উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগই নয় এটি ডিজিটাল যুগের মেরুদণ্ড। ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি যুগে প্রবেশের সকল প্রস্তুতি বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করেছে।

মন্ত্রী বলেন, ফাইভ-জি ব্যবহারে জীবনের সকল ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। তা হবে কৃষি, শিল্প ও তথ্যযুগের পরের যুগ। কৃষি যুগের পর তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করার পরও বাংলাদেশকে ডিজিটাল যুগে নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে তারা কাজ করছেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০১৮ সালে দেশে ফাইভ-জি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হুয়াওয়ে সহযোগিতা করেছিল। তা বাংলাদেশের জন্য খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে ২০২১ সালের মধ্যে ফাইভ-জি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ১২ বছরে বাংলাদেশ ডিজিটাল সংযোগ প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী পরিবর্তন ঘটিয়েছে। করোনাকালে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি এর প্রয়োজনীয়তা দেশের জনগণ উপলব্ধি করছে। এই কর্মসূচির কারণে বৈশ্বিক অতিমারিতেও মানুষের জীবন যাত্রা থেমে থাকেনি। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় মানুষের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের দ্বি-গুণ চাহিদা বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com